জানুন আমাদের হিজামা ট্রেনিং সম্পর্কে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য!
কতদিনের ট্রেনিং করানো হয়?
বেসিক হিজামা ট্রেনিং অফলাইন ব্যাচ ৩ দিনের এবং অনলাইন ব্যাচ ১ মাসের।
হিজামা ট্রেনিং এ কী কী শেখানো হয়?
হিজামা, ফায়ার কাপিং, ড্রাই কাপিং এবং ম্যাসাজ কাপিং একেবারে হাতে কলমে শিখিয়ে থাকি।
ট্রেনিং শেষে কী কী দিয়ে থাকেন?
হিজামা গাইড, সার্টিফিকেট, ক্লাসের ভিডিও এবং পরবর্তিতে সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়া হয়।
তিন দিনের ট্রেনিং করেই কী আমি হিজামা করাতে পারবো?
হ্যা, পারবেন। এর প্রমান বিগত ৭ বছরে আমাদের এখানে ট্রেনিং করে যাওয়া সারাদেশে ২০০০ এরও বেশী প্রশিক্ষনার্থী। তবে এটা যেহেতু একটা চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই আপনি যতবেশী পড়াশোনা এবং প্র্যাকটিস করবেন তত বেশী দক্ষ হবেন ইনশাআল্লাহ্।
কোর্স চলাকালীন থাকা খাওয়া কোথায়?
যার যার নিজ দায়িত্বে, অর্থাৎ আত্বীয় স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের বাসায় থাকতে পারেন। আমাদের চেম্বারের পাশেও স্বল্প খরচে বেশ নিরাপদ এবং স্বাস্থসম্মত আবাসিক হোটেল আছে।
ট্রেনিং এর পরে আপনারা কী সরকারী সার্টিফিকেট দেন?
না, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হিজামা শেখানো। তাছাড়া বাংলাদেশে হিজামা নিয়ে কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বা সার্টিফিকেট কোর্স নেই। তাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের মত আমাদের প্রদত্ব সার্টিফিকেটও প্রাইভেট।
কারা কারা ট্রেনিং করতে পারবে?
সকলেই পারবেন। তবে এস এস সি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ন হলে ভাল।
ট্রেনিং শেষে আপনারা কী চাকরি দিয়ে দেন?
না, আমরা হিজামা করানো শিখিয়ে দেই এবং আপনি যাতে নিজে নিজে চেম্বার দিয়ে উপার্জন শুরু করতে পারেন তাঁর পুর্ন গাইডলাইন দেই।
মেয়েরা শিখতে পারবে?
হ্যা, মেয়েরা শিখতে পারবে।
ট্রেনিং করে এলাকায় চলে যাওয়ার পরেও কি আপনাদের সহায়তা পাওয়া যায়?
হ্যা, ট্রেনিং করে চলে যাওয়ার পরও আমাদের সাপোর্ট সবসময় পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
মাদ্রাসার ছাত্ররা কী শিখতে পারবে?
হ্যাঁ, পারবে।
হিজামা একটা চিকিৎসা পদ্ধতি। যেকোন চিকিৎসা শেখার জন্য সময় দেওয়ার দরকার। আপনারা এত অল্প সময়ে কিভাবে শিখাবেন? আমি কি শিখতে পারবো?
হ্যাঁ, শিখতে পারবেন। কারন হিজামা একটি নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি। সঠিকভাবে হিজামা করা হলে রোগীর কোন ক্ষতি কিংবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়না। আর অল্প সময়ের এই ট্রেনিং এ আমরা মানুষকে ডাক্তার বানিয়ে ফেলিনা। হিজামা সম্বন্ধে সে জ্ঞান অর্জন করে এবং নিরাপদে এবং রোগীর কোন ধরনের ক্ষতি ছাড়াই হিজামা করানো শিখতে পারে।
অফলাইন ব্যাচের পাশাপাশি অনলাইন ব্যাচেরও ব্যবস্থা আছে। অনলাইন ব্যাচে অংশ নিয়ে সুবিধাজনক সময়ে একদিন ঢাকায় এসে প্র্যাক্টিকেল ক্লাসে অংশ নিয়েও হিজামা শেখা সম্ভব।
ট্রেনিং পরবর্তী সময়ে আমাদের চেম্বারে ইন্টার্নির ব্যবস্থা।
ট্রেইনার
হাকীম শফিকুল ইসলাম বায়েজিদ
♻ ডি ইউ এম এস হাকীম সাঈদ ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
♻ সার্টিফাইড হিজামা থেরাপিস্ট এবং ট্রেইনার হিজামা নেশন একাডেমি, ইংল্যান্ড।